হটাৎ করে মসজিদ যাওয়া ও টুপি পরা কেন ছেড়ে দিল রাহুল গান্ধী জানলে চমকে যাবেন !

ভারতে রাহুল গান্ধীকে তার রাজনৈতিক প্রতিনিধিরা যতটা বোকা মনে করেন অতটা বোকা উনি নন।আপনি এটা পড়ার পর একটি বিষয় বুঝতে পারবেন যে রাহুল গান্ধী একটি ধর্মের লোকেদের বেশ ভালোভাবে বোকা বানাচ্ছে।
আপনি হয়তো লক্ষ করেছেন,বিগত কয়েকমাস ধরে রাহুল গান্ধী বিদেশে ভ্রমণ একদম বন্ধই করে দিয়েছেন ,বিগত কয়েকমাস ধরে উনি সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি বেশি টুইট করছেন ।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল বিগত কয়েকমাসে তিনি মসজিদ ভ্রমণ একেবারে বন্ধ করে দিয়েছেন এবং গুজরাট অভিযানে তিনি একবারও কোনোজায়গাতে মুসলিম ধর্মে ব্যাবহৃত টুপি ব্যবহার করেননি।


গুজরাটে মুসলিম পপুলেশন প্রায় ৫০ লক্ষ্যের কাছাকাছি এবং রাজ্যের জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ।এর আগের নির্বাচন পর্যন্ত রাহুল গান্ধী হিন্দুদের একটু অন্য চোখে দেখতেন।এমনকি তিনি হিন্দু যুবকদের অনেকবার উগ্রপন্থী বলেও কটাক্ষ করেছেন।কিন্তু হটাৎ করে যেন ইউটার্ন নিয়েছেন ।এই নির্বাচনে পুরো ব্যাপারটা যেন উল্টে গেছে।রাহুল গান্ধী নিজেকে এখন নিজেকে শিবভক্ত বলছেন।

হটাৎ করে হিন্দু ধর্মের প্রতি রাহুল গান্ধীর এত শ্রদ্ধা আসছে কেন?


একসময় রাহুল গান্ধীর পার্টি ভগবান শ্রী রামকে খলনায়কের চরিত্র বলতেন।এমনকি রাহুল গান্ধী নিজে আমেরিকায় বলেছিলেন যে, হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি সমাজে ও মুসলিম সম্প্রদায়এ ধর্মের নামে লড়াই সৃষ্টি করে।
কিন্তু সেই রাহুল গান্ধীকে এখন  প্রতিদিন অন্তত একটা মন্দিরে দেখা যাচ্ছে।এমনকি তিনি বর্তমানে মন্দির ভ্রমণ প্রাকালে কপালে তিলক লাগিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।কিন্ত দুঃখের বিষয়, রাহুল গান্ধীকে এক পুরোহিত বকা দেন নামাজের ভঙ্গিতে মন্দিরে বসার জন্য।

এটা কেন হিন্দুদের জন্য একটা বড় জয়লাভ?

একটি বিষয় পরিষ্কার,রাহুল গান্ধীর এরকম পরিবর্তন  হিন্দুদের জন্য একটা বড় জয়।কারণ এর আগে পর্যন্ত কংগ্রেস পার্টি হিন্দু প্রথা এমনকি হিন্দুদের দেবদেবীদের নিয়ে অপপ্রচার করে নিজেদের বুক ফুলাতেন।সেই কংগ্রেস পার্টি এখন হিন্দু ধর্মের কাছে মাথা নত করতে বাধ্য হচ্ছে।  আরেকটা বিষয় লক্ষ করার মতো,রোহিত সারদানা,সুধীর চৌধুরী,অর্ণব গোস্বামীর মতো কিছু বিশেষ সাংবাদিক এই বিষয় গুলি নিয়ে বিতর্ক উত্থাপিত করেছেন যা নিয়ে আগে কেউ প্রশ্ন করেননি।এমনকি ফেসবুক,টুইটার এর মতো সোশ্যাল মিডিয়া গুলি যুবসমাজের কাছে সত্য উদঘাটন করতে সাহায্য করেছে।

Comments